সুচিকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে মিয়ানমারকে দোষী প্রমাণ করালেন গাম্বিয়া

সুচিকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে মিয়ানমারকে দোষী প্রমাণ করালেন গাম্বিয়ার আবু বকর

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর দেশটির মুসলিম জনগোষ্ঠী রোহিঙ্গাদের ওপর নিধনযজ্ঞ চালিয়ে তাদের হত্যা করে। বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয় অনেকের। ধর্ষণ লুট জীবন্ত পুড়িয়ে মারাসহ নৃশংসতার শিকার হন রোহিঙ্গারা। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক চাপ সত্ত্বেও মিয়ানমার সরকার সেই নিধনযজ্ঞ বন্ধ করে নি।

অবশেষে জীবন বাঁচাতে পা’লিয়ে প্রতিবেশি বাংলাদেশে এসে আ’শ্র’য় নেয় কয়েক লাখ রোহিঙ্গা। জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত আইসিজেতে এ ঘটনায় মা’মলা করেন গাম্বিয়ার এক মন্ত্রী। দেশটির বিচারমন্ত্রী আবুবাকার তাম্বাদুর মামলায় মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চি হেগের আদালতে যেতে বা’ধ্য হয়েছেন। তিনি কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে তার দেশের বি’রু’দ্ধে আনা গণহ’ত্যার অভি’যোগ প্রশ্নে বক্তব্য দিতে বা’ধ্য হয়েছেন। জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত বৃহস্পতিবার এই গ’ণহ’ত্যার আদেশ দিয়েছে।এই মানুষটির জন্য মন থেকে শুধু দোয়া আসছে।
যেই কাজটি বাংলাদেশের সরকার অথবা কোন মানবাধিকার সংস্থা করা উচিত ছিল সেই কাজটি সুদূর আফ্রিকার ক্ষুদ্র দেশ গাম্বিয়ার আইন মন্ত্রী করে দেখিয়েছেন ।

আজ রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালতে মিয়ানমারকে দোষী সাব্যস্ত হয়েছে । আদালত মিয়ানমারের সমস্ত অভিযোগ খারিজ করে দিয়ে,এই ৪ টি নির্দেশ দেন

১. গণহত্যাসহ সব ধরনের নিপীড়ন থেকে রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা দেয়া।

২. রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে কোন ধরণের সামরিক আধা সামরিক অথবা এই জাতীয় কোন সংস্থা এমন কোন ব্যবস্থা বা কাজ করবে না যাতে মিয়ানমারে চলমান পরিস্থিতির আরো অবনতি ঘটে।

৩. গণহত্যার কোনো আলামত নষ্ট না করা।

৪. মিয়ানমার সরকারের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গাদের বিষয়ে কি কি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে সেই সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রতি চারমাস অন্তর অন্তর আন্তর্জাতিক আদালতের কাছে পেশ করতে হবে।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.