গলা ব্যাথা , খুশখুশে কাশি ? এই ঘরোয়া পন্থাটি মেডিসিন নেবার আগে একবার হলেও পরীক্ষা করে দেখুন

বর্তমানে মেডিকেল সায়েন্স এর বদৌলতে আমরা চিকিৎসা সেবায় অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছি। আমাদের চিকিৎসা ক্ষেত্রে এসেছে অনেক পরিবর্তন। আবিষ্কার হয়েছে অনেক ওষুধ-পত্র।

যুগের সাথে সাথে তাল মিলিয়ে পরিবর্তন হলেও কিছু কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি হয়েছে যেগুলো খুব অল্প খরচেই অসুখ সারিয়ে তুলত সক্ষম।

তেমনই দৈনন্দিন সময়ে আমাদের খুব স্বাভাবিক একটা সমস্যা দেখা যায় তা হল গলা ব্যাথা অথবা খুশখুশে কাশি । চট জলদি কিছু করা না হলে সমস্যাটা আস্তে আস্তে বাড়তেই থাকে । সাধারনত এধরনের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আমরা ওষুধের সরাপন্ন হই,তবে ওষুধের সাইড ইফেক্ট রয়েছেই তাই সর্বদা ওষুধ নেয় ঠিক নয় ।তাই ঘোরোয়া পন্থাগুলো বেশ কাজে লাগে ,প্রাকৃতিক ভাবে প্রকৃতির ঔষুধী গুন কে কাজে লাগিয়ে সহজেই সারিয়ে তলা যায়।তেমনই গলা ব্যাথা – খুশখুশে কাশির জন্য ঘরোয়া একটা পন্থা হতে পারে লবন মিশ্রিত কুসুম গরম পানি দিয়ে গারগল করা । পুরানা এই পন্থা মেডিকেল সায়েন্সেও রেকোমেন্ড করা হয়েছে ।

এ লবন মিশ্রিত কুসুম গরম পানি কেবল যে গলা ব্যাথা বা কাশির জন্য উপকারি তা কিন্তু নয়। এর আরও উপকার রয়েছে । যেমন ,গলায় জমে থাকা মিউকাস বা কফ নষ্ট করতে সাহায্য করে । এলার্জি, ব্যাকটেরিয়ার মত উপাদানকেও ধ্বংস করে ফেলে।

এছাড়াও লবন মিশ্রিত কুসুম গরম পানি তে কুলকুচি করলে দাতে ব্যাথা ও মাড়ি থেকে রক্ত পড়া সমস্যা থেকেও আরাম পাওয়া যায়। এতে কুলকুচি করলে মুখের ভেতর জমে থাকা এসিড হ্রাস পায় , জিনজিভাইটিস (জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত মাড়ির এক ধরনের রোগ) থেকে উপকার পাওয়া যায়।

তাই গলা ব্যাথা,কাশি,মাড়ী ব্যাথা সারায়ে একটি পাত্রে এক গ্লাস পানি হালকা কুসুম করে তাতে এক চিমট লবন যোগ করে ভালো করে মিশিয়ে দিনে ৪-৫ বার গারগল করুন।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.